শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল, ২০২৬

বারডেমের চিকিৎসকের বিরুদ্ধে জবি শিক্ষার্থীকে হেনস্তার অভিযোগ

১৯ আগস্ট ২০২৫, ০৫:১৪ অপরাহ্ণ উত্তরা প্রতিবেদক
বারডেমের চিকিৎসকের বিরুদ্ধে জবি শিক্ষার্থীকে হেনস্তার অভিযোগ

রাজধানীর বারডেম জেনারেল হাসপাতালের বাত, ব্যথা ও প্যারালাইসিস বিশেষজ্ঞ সহকারী অধ্যাপক ডা. আবুল খায়ের আহমদ জামানের বিরুদ্ধে এক শিক্ষার্থীকে হেনস্তার অভিযোগ উঠেছে। ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী হলেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের ছাত্র এবং দৈনিক দিনকালের বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি এস এম সিয়াম।

অভিযোগে জানা যায়, চিকিৎসা নিতে গিয়ে শুধু খারাপ ব্যবহারই নয়, বরং শিক্ষার্থী সিয়াম ও তার বাবাকে অপমানিত করেন ওই চিকিৎসক।

গত রোববার (১৭ আগস্ট) এস এম সিয়াম তার ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডিতে পোস্ট দিয়ে বিষয়টি জানান। তিনি লিখেন, জুন মাসে মেরুদণ্ড ও মাংসপেশির ব্যথায় অসুস্থ হয়ে পড়লে বারডেমে চিকিৎসা নিতে শুরু করেন। প্রথমে ওষুধে সাময়িক উন্নতি হলেও আগস্টে ব্যথা বাড়লে নতুন করে এক্স-রে ও বিভিন্ন টেস্ট করান। পরবর্তীতে রিপোর্ট দেখাতে গেলে ডা. আবুল খায়ের অন্য চিকিৎসকের প্রেসক্রিপশন দেখে ক্ষিপ্ত হন। তিনি রিপোর্টগুলো ছুড়ে ফেলে দেন এবং রোগীর কথা না শুনেই চলে যান।

ফেসবুক পোস্টে সিয়াম প্রশ্ন তোলেন—“একই রিপোর্ট একাধিক চিকিৎসকের কাছে দেখানো বা দ্বিতীয় মতামত নেওয়া কি কোনো অপরাধ?” তিনি অভিযোগ করেন, টাকা নিয়ে চিকিৎসা দেওয়ার দায়িত্ব থাকা সত্ত্বেও ডা. আবুল খায়ের দায়িত্বশীল আচরণ করেননি, বরং রোগীকে অপমান করেছেন। “আমি একজন সাংবাদিক জেনেও যদি তিনি এমন ব্যবহার করেন, তবে সাধারণ রোগীদের সঙ্গে কেমন আচরণ করা হয়—সে বিষয়েই বেশি উদ্বিগ্ন,” যোগ করেন তিনি।

ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীর দাবি, “আমার সঙ্গে ঘটে যাওয়া অন্যায় আচরণের জন্য ওই চিকিৎসককে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে হবে এবং বারডেম কর্তৃপক্ষকে নিশ্চিত করতে হবে, ভবিষ্যতে যেন আর কোনো চিকিৎসক এ ধরনের আচরণ না করেন।”

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে ডা. আবুল খায়ের আহমদ জামান বলেন, “পিজি হাসপাতাল থেকে টেস্ট করানো হয়েছে এবং সেখানকার প্রেসক্রিপশন অনুযায়ী চিকিৎসা চালানোর কথা বলেছি। এরপর আমি রুম থেকে বের হয়ে যাই।” নামাজের সময় হওয়ায় কক্ষ ত্যাগ করেছেন বলে দাবি করেন তিনি।

আরও পড়ুন.. শিক্ষাঙ্গন
← Home