শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল, ২০২৬

পবার দর্শনপাড়া ইউনিয়নের তালুকধর্মপুরে বিশ্ব খাদ্য দিবস উদযাপিত

হাত রেখে হাতে, উত্তম খাদ্য ও উন্নত আগামীর পথে

১৬ অক্টোবর ২০২৫, ০৭:১৪ অপরাহ্ণ
পবার দর্শনপাড়া ইউনিয়নের তালুকধর্মপুরে বিশ্ব খাদ্য দিবস উদযাপিত

স্টাফ রিপোর্টার: ‘হাত রেখে হাতে, উত্তম খাদ্য ও উন্নত আগামীর পথে’ প্রতিপাদ্যে রাজশাহীর পবা উপজেলার দর্শনপাড়া ইউনিয়নের তালুকধর্মপুরে স্থানীয় কৃষাণীদের অংশগ্রহনে বিশ্ব খাদ্য দিবস উদযাপন উপলক্ষ্যে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৬ অক্টোবর) বিকেলে তালুকধর্মপুর কৃষি প্রতিবেশবিদ্যা শিখন কেন্দ্রে বেসরকারী উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ রিসোর্স সেন্টার ফর ইন্ডিজিনাস নলেজ (বারসিক) এর সহযোগিতায় দিবসটি পালিত হয়। এসময় তাঁরা প্লেকার্ড হাতে বিভিন্ন স্লোগানে মনের ভার প্রকাশ করেন। দিবসটির আয়োজন করেন তালুকধর্মপুর নারী উন্নয়ন সংগঠন। 

 

এসময় লাউ বীজ, শিম বীজ, মিষ্টিকুমড়া বীজ, চালকুমড়া বীজ, তরই বীজ, বরবটি বীজ, ঢেঁরস বীজ, ধুন্দল বীজ, মুলা বীজ, পালংশাক বীজ, গড়াআলু বীজ, ওল বীজ, সবুজশাক বীজ, লালশাক বীজসহ ৫০ ধরনের বীজ প্রদর্শন করেন কৃষাণীরা। এছাড়াও নিজেদের উৎপাদনকৃত নিরাপদ, পুষ্টিকর এবং বিষমুক্ত শাক-সবজী প্রদর্শন করেন স্থানীয় নারী সংগঠনের সদস্যরা। এসময় বিষমুক্ত নিরাপদ, পুষ্টিকর ও মানসম্মত খাদ্য উৎপাদন এবং কৃষি প্রযুক্তি উদ্ভাবনসহ বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।

 

তালুকধর্মপুর কৃষি প্রতিবেশবিদ্যা শিখন কেন্দ্রের সভাপতি মোসা. শিল্পী বেগম এর সভাপতিতে সভা ও প্রদর্শনীতে উপস্থিত ছিলেন বারসিক’র সহযোগী কর্মসূচি কর্মকর্তা মো. তৌহিদুল ইসলাম, কমিউনিটি ফ্যাসিলিটিটর মোসা. সুলতানা খাতুন, নারী সংগঠনের সেক্রেটারী মোসা. রাকিবা খাতুন, নির্বাহী সদস্য মোসা. আফরোজা বেগমসহ কৃষাণী, শিক্ষার্থী, স্থানীয় নারী সংগঠনের সদস্যবৃন্দ।

 

এসময় কৃষাণীরা বলেন, জৈব্য সার ব্যবহার করে বাড়ীর পাশে পতিত জায়গায় বিষমুক্ত শাক-সবজি চাষ করেন। নিজেদের উৎপাদনকৃত শাক-সবজি পরিবারের পুষ্টির চাহিদা পূরণ করে। পরিবারের চাহিদা পূরণ ও আত্মীয়-স্বজনদের দিয়ে অতিরিক্তটুকু বিক্রয় করে সংসারের আয় হয়। 

 

উল্লেখ্য বিশ্ব খাদ্য দিবস (ডব্লিউ. এফ. ডি) ১৯৭৯ সালের নভেম্বরে জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (এফএও) ২০তম সাধারণ সম্মেলনে সংস্থার সদস্য দেশগুলির দ্বারা প্রতিষ্ঠিত হয়। ১৯৮১ সাল থেকে প্রতি বছর দিবসটি উপলক্ষে একটি ‘প্রতিপাদ্য’ প্রহণ করে। বিশ্বজুড়ে ১৫০টিরও বেশি দেশে, বিশ্ব খাদ্য দিবস পালন করে থাকে। দারিদ্র্য ও ক্ষুধার পেছনের সমস্যাগুলির প্রতি সচেতনতা বাড়াতে এই দিবসটি পালিত হয়।

আরও পড়ুন.. কৃষি
← Home